
আহসান হাবীব শিপলু, বদলগাছী প্রতিনিধি:
‘প্রেম মানে না কোনো বাধা’—প্রচলিত এই কথার সঙ্গে মিল রেখে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ভান্ডারপুর গ্রামে এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুই পরিবারের মধ্যে মীমাংসার তিন দিনের মাথায় আবারও প্রেমিকের বাড়িতে ফিরে এসেছেন মারিয়া সুলতানা নামের ওই তরুণী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভান্ডারপুর গ্রামের মো. আলতাব হোসেনের ছেলে মো. সজীব হোসেনের সঙ্গে একই গ্রামের মো. রস্তোম আলীর মেয়ে মারিয়া সুলতানার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। পরিবারের অমতে তাঁরা বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ের প্রস্তুতি নেন। তবে উভয় পরিবারের সদস্যরা এতে সম্মত হননি।
পরে থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় দুই পরিবারের মধ্যে মীমাংসা হয়। মীমাংসার শর্ত অনুযায়ী, তাঁরা আর একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন না এবং মারিয়া নিজ বাবার বাড়িতে ফিরে যাবেন। সেই অনুযায়ী, গত ৯ অক্টোবর তাঁকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে মীমাংসার তিন দিনের মাথায়, ১২ অক্টোবর দুপুরের পর মারিয়া আবারও সজীবের বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সজীবের বাড়িতে অবস্থানকালে মারিয়া সুলতানা বলেন, “আমাকে সজীবের কাছ থেকে আলাদা করার চেষ্টা করা হলে আমি আত্মহত্যা করব। আমি আর বাবার বাড়িতে ফিরব না। সেখানে আমাকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। সজীবকে ছাড়া আমার বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।”
বর্তমানে মারিয়া সুলতানা সজীবের বাড়িতে অবস্থান করছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।


















