
মনোয়ার বাবু, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে আমন মৌসুমে সার নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের মধ্যে সরকারি সুপারিশ ও মাঠের বাস্তবতার মধ্যে সমন্বয়ের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে খামারি অ্যাপে সারের সুপারিশের বিষয়টি কৃষকদের কাছে আরও সহজ ও পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, খামারি অ্যাপে দেওয়া সুপারিশ অনুযায়ী কৃষকদের সুষম সার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। তবে অ্যাপে সারের মাত্রা ও ব্যবহারের বিষয়ে কৃষকদের মধ্যে যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না থাকে, সে জন্য বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি বলেন, ‘কৃষকদের ওই সুপারিশ অনুযায়ী সুষম সার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘অতিরিক্ত সার ব্যবহার করে কৃষক লাভবান হওয়ার পরিবর্তে ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। ডিলারদেরও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সার বিক্রি করতে বলা হয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কোনো এলাকার মাটির বাস্তব অবস্থা ও খামারি অ্যাপে দেওয়া সারের সুপারিশের মধ্যে পার্থক্য থাকলে তা মাঠপর্যায়ে যাচাই করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হলে কৃষকদের বিভ্রান্তি কমার পাশাপাশি সারের সঠিক ব্যবহারও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
আমন মৌসুমে কৃষকের সারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও সার ডিলারদের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানোর ওপরও জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাঁদের মতে, ঘোড়াঘাটে সার নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধকে শুধু সরবরাহ সংকট হিসেবে দেখলে সমস্যার পূর্ণ চিত্র পাওয়া যাবে না। সরকারি সুপারিশ, ডিলারদের সার বিক্রয়ের নিয়ম এবং কৃষকের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতিও এ ধরনের বিরোধের অন্যতম কারণ হতে পারে।
এ অবস্থায় কৃষকদের কাছে সরকারি সার ব্যবহারের সুপারিশ সহজ ভাষায় তুলে ধরার পাশাপাশি মাঠের বাস্তবতার সঙ্গে তা সমন্বয় করে আমন মৌসুমে সার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।






