নাদিম হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর স্বজনদের বিরুদ্ধে এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে আমবাগানে নিয়ে মারধর, ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মামা মো. বিশারত আলী শিবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত বছর আগে শ্যামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম গোপালনগর এলাকার রোজবুল হকের সঙ্গে মৌসুমী খাতুনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ১৬ আগস্ট তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকেই রোজবুলকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২১ আগস্ট রাত ৮টার দিকে রোজবুল চার্জার ভ্যান নিয়ে শ্যামপুরের মিয়াপাড়া থেকে চামা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে শরৎনগর ঢুলিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তাঁকে আম নেওয়ার কথা বলে একটি আমবাগানে নিয়ে যান।
সেখানে রশি দিয়ে তাঁর হাত-পা বেঁধে গাছের ডালে উল্টো করে ঝুলিয়ে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে ব্লেড দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এ সময় তাঁর কাছে থাকা ৬ হাজার ২০০ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে রোজবুলের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় রোজবুলকে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মৌসুমী খাতুন। তিনি বলেন, তিনি বা তাঁর কোনো স্বজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। রোজবুলকে কে মারধর করেছে বা কী ঘটেছে, সে বিষয়ে তাঁরা কিছুই জানেন না।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











