
বিশেষ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার রফিজ উদ্দিন রনি। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
ইঞ্জিনিয়ার রফিজ উদ্দিন রনি ১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম আশরাফ আলী মেম্বারের সুযোগ্য সন্তান। তাঁর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে ভোলাগঞ্জ বাজারে অবস্থিত নিজের কার্যালয় থেকে পরিদর্শন কর্মসূচি শুরু করেন রফিজ উদ্দিন রনি। পরে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন করা মণ্ডপগুলোর মধ্যে ছিল মহিষখলা পূজামণ্ডপ, বান্দ্রা সর্বজনীন পূজামণ্ডপ, বাককাতলা পূজামণ্ডপ ও গিলাগড়া সর্বজনীন পূজামণ্ডপ।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মধ্যনগর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দুলাল আহমেদ। পরিদর্শনকালে রফিজ উদ্দিন রনি বিভিন্ন পূজামণ্ডপে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করেন। পাশাপাশি পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাঁদের মাধ্যমে প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন।
শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরে ইঞ্জিনিয়ার রফিজ উদ্দিন রনি বলেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করবে, একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়াবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।
“আমি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়া, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা আমার প্রত্যাশা। একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। সবার জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আসুক—এই কামনা করি।”
এদিকে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।


















