
সাজিদুর রহমান,বাহুবল (হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ
হবিগঞ্জের বাহুবলে নিখোঁজের দুই দিন পর তুহিন মিয়া নামে এক সিএনজি অটোরিকশাচালকের মরদেহ পাশের নবীগঞ্জ উপজেলার ফুলতলী এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত তুহিন মিয়া বাহুবল উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের শংকরপুর প্রকাশিত ইছবপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তুহিন মিয়া সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর হবিগঞ্জ-থ-১১-৪৩৪০ নম্বরের সিএনজি অটোরিকশাসহ তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে বাহুবল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এর মধ্যে বুধবার সকাল ১০টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলার ফুলতলী এলাকায় তুহিনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে দুই থানার সমন্বয়ে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
বাহুবল মডেল থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদার জানান, মঙ্গলবার তুহিন নিখোঁজের বিষয়টি তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানাকে অবহিত করা হয়েছিল। বুধবার নবীগঞ্জ থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে।
তুহিনের পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তুহিনের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারে শোকের মাতম চলছে। এলাকায়ও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

















