
মনোয়ার হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় দুই জেএমবি সদস্যকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক নারী আসামিকে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৯ আগস্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬-এর বিচারক খাইরুননেছা এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—জেএমবি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং দুরুল হুদা ওরফে হাসান। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত নারী আসামি হলেন খালেদা আক্তার রানী, যিনি দুরুল হুদার স্ত্রী।
আদালত সূত্রে জানা যায়, কোতোয়ালি মডেল থানার মামলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ৪/৬ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। মামলার বিচার চলাকালে বাদী-বিবাদী ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন সময়ে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
মামলার নথি ও জব্দ তালিকা অনুযায়ী বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারের বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।
রায়ে মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু ও দুরুল হুদাকে ২০ বছর করে এবং খালেদা আক্তার রানীকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত খালেদা আক্তার রানীর তিন সন্তান ও তার স্বামীর কারাগারে থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সাজা নির্ধারণ করেন।
রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানামূলে প্রয়োজনীয় পুলিশি নিরাপত্তায় আসামিদের প্রিজন ভ্যানে করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

