Wednesday , September 26 2018
সর্বশেষ সংবাদ :
Home / সারাদেশ / সাভারে ছাত্রলীগ নেতা ফয়সালের নেতৃত্বে মুরাদ জংয়ের প্রচারণায় সক্রিয় ছাত্রলীগের নওশাদ
সাভারে ছাত্রলীগ নেতা ফয়সালের নেতৃত্বে মুরাদ জংয়ের প্রচারণায় সক্রিয় ছাত্রলীগের নওশাদ

সাভারে ছাত্রলীগ নেতা ফয়সালের নেতৃত্বে মুরাদ জংয়ের প্রচারণায় সক্রিয় ছাত্রলীগের নওশাদ

সাভার প্রতিনিধি: সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উভয় পাশসহ বিভিন্ন এলাকার অলিগলিতে সাবেক সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদের পোস্টার, ব্যানার দিয়ে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন সাভার থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম ফয়সাল। জাহিদুল ইসলাম ফয়সালের নেতৃত্বে সাভার থানা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইশতিয়াক আহমেদ নওশাদ ও তার সমর্থকরা প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে। নওশাদের কর্মী-সমর্থকরাও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে সাভার থানা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ নওশাদ বলেন, সাভার থানা ছাত্রলীগের আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম ফয়সালের নেতৃত্বে আমরা মুরাদ জংয়ের রাজনৈতিক কার্যক্রম সক্রিয় রেখেছি। আর এজন্য দল ক্ষমতায় থাকলেও আমরা চরমভাবে কোনঠাসা। চলতি বছরের শুরু থেকেই ফয়সালের নেতৃত্বে মুরাদ জং সমর্থিত নেতা, কর্মী-সমর্থকরা অনেকটাই উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে। জানা যায়, ঢাকা-১৯ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান। তিনি এনাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর আহত শ্রমিকদের তাঁর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও নজর কেড়েছিলেন তিনি। ফলে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নবম জাতীয় সংসদের দলীয় সংসদ সদস্য তৌহিদ জং মুরাদকে রেখে মনোনয়ন দেয় এনামকে। সেই সুযোগে বিনা ভোটে এমপি হন তিনি। এর আগে রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনো যোগ ছিল না। কেন্দ্র থেকে ডা. এনামকে মনোনয়ন দিলেও তিনি অন্য কোন নেতাদের থেকে সমর্থন পাবেন না। বিএনপির দুর্গ বলে পরিচিত ঢাকা-১৯ (সাভার) সংসদীয় আসনটি ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ দখলে নেয়। তৌহিদ জং মুরাদ সংসদ সদস্য হয়ে দলকে চাঙা করার চেষ্টা করেন। এব্যাপারে সাভার থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম ফয়সাল বলেন, তালুকদার তৌহিদ জং মুুরাদ প্রকৃত আওয়ামী লীগার। তিনি দলের দুর্দিনে ছিলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। মুরাদ জংয়ের মতো এমন প্রার্থীকেই যেন নৌকার টিকিট দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে সাভার থানা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইশতিয়াক আহমেদ ফয়সাল বলেন, মুরাদ জং কে দলীয় মনোনয়ন দিলে এ আসনে নিশ্চিত বিজয় সম্ভব। জনবিচ্ছিন্ন ও হাসপাতালের নানা অনিয়মের কারণে এনামের বিরুদ্ধে জনগণের অনাস্থা রয়েছে। আসছে নির্বাচনে তাকে প্রার্থী করলে সাভারে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ করা আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তবে তালুকদার মো: তৌহিদ জং মুরাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করলে তিনি জানান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসন, সাভারে দলের মনোনয়ন চাচ্ছি। আগামী নির্বাচনে আমি নৌকার টিকিট প্রত্যাশী। নৌকা পেলে বিজয়ী হব। কারণ আমার সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ আছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ সংসদীয় আসনের উন্নয়নের জন্য কাজ করবো। যেকোনো সমস্যা বা নাগরিক সংকট নিরসনে আমি সব সময় সচেষ্ট ছিলাম এবং আছি। সাভার-আশুলিয়াকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার জন্যও নানা ধরনের পরিকল্পনা তৈরি করেছি। আগামীতে নৌকার টিকিট পেয়ে নির্বাচিত হলে পরিকল্পিত সাভার নগরী গড়ে তুলব।’ উল্লেখ্য, এমপি এনামুর রহমান দাম্ভিকতার সঙ্গে বলেছেন, ‘তিনি নাকি (এনামুর) পাঁচজনকে ক্রসফায়ারে দিয়েছেন। আরও ১৪ জনকে লিস্টে রেখেছেন।’ অরাজনৈতিক ব্যক্তি দিয়ে রাজনীতি হয় না- এর প্রমাণ সাভারের সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান। সাভারের সাবেক এমপি আওয়ামী লীগ নেতা তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ। দীর্ঘদিন নীরবে থাকলেও আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনায় সরব হয়ে উঠেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*