Wednesday , October 24 2018
সর্বশেষ সংবাদ :
Home / সারাদেশ / জাবিতে রাস্তার বেহাল দশা! সংস্কারের দাবি
জাবিতে রাস্তার বেহাল দশা! সংস্কারের দাবি

জাবিতে রাস্তার বেহাল দশা! সংস্কারের দাবি

সনজিৎ সরকার উজ্জ্বল: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অধিকাংশ রাস্তা জুড়েই রয়েছে ফাটল ও খানাখন্দ। এমন পরিস্থিতিতে দুর্ভোগ লাঘবে বর্ষার আগেই  রাস্তা সংস্কারের দাবি তুলেছেন সাধারণ  শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে সারা ক্যাম্পাস পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে,  উঁচু বটে জিসানের হোটেলের সামনের রাস্তা, সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে; ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের সামনের রাস্তাটি খানাখন্দে ভরপুর।চৌরঙ্গী থেকে ট্রান্সপোর্ট যাবার পথে ট্রান্সপোর্ট ইয়ার্ডের রাস্তার অংশবিশেষ সংস্কার আবশ্যক বলে মনে করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিজনেস স্টাডিজ ফ্যাকাল্টির সামনে থেকে পুরান কলা ভবন পর্যন্ত রাস্তার অংশটুকু আধা পিচ ঢালাই অবস্থায় রয়েছে।

এছাড়াও  জয় বাংলা গেট থেকে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের দিকে আসতে ও চৌরঙ্গীর দিকে যাবার রাস্তাটি, বেগম খালেদা জিয়া হলের গেট বরাবর পশ্চিম দিকে চৌরঙ্গী আসার রাস্তাটি, রেজিস্ট্রার বিল্ডিং এর সামনের রাস্তা এবং ভিসি ভবনের পাশের রাস্তা, টিচার্স ক্লাবের সামনের রাস্তা, জাবি স্কুল ও কলেজের পাশে টিচার্স কোয়ার্টারের মাঝের রাস্তার পূর্ব পাশের অংশ  ও  বিশ মাইল গেটের রাস্তাটির জরুরী সংস্কার প্রয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী আহাদুজ্জামান নুর বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই বটতলার রাস্তার অংশবিশেষ পানিতে ডুবে যায়। তখন আশেপাশের গর্তে পড়ে শিক্ষার্থীদের আহত হবার আশংকা থাকে।

প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্র আবু নোমান জিসান বলেন, আমাকে প্রতিদিনই ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের সামনে দিয়ে নিজ বিভাগে যেতে হয়। কিন্তু রাস্তায় অসংখ্য গর্তের কারণে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র আসাদ উজ্জামান বলেন, ট্রান্সপোর্টের রাস্তাটি বিশ্ববিদ্যালের আসার পর থেকেই দেখছি ভাঙা। কেন এতদিনেও সংস্কার করা হয়নি তা বুঝে আসে না। শিক্ষার্থীদের সর্বোপরি সকলের সুবিধার জন্য ক্যাম্পাসের সকল রাস্তার সংস্কার আবশ্যক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আবদুস সালাম মো. শরীফ বলেন, বিশ মাইল থেকে মীর মশাররফ হোসেন হল পর্যন্ত রাস্তা ভালভাবে মেরামত করতে দেড় কোটি টাকা প্রয়োজন। আমাদের নিকট এখন তিন লক্ষ টাকা আছে যা দিয়ে রাস্তার গর্তগুলো ভরাট করে দিব শীঘ্রই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রো ভিসি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন বলেন, টেন্ডারের কাজ শেষ হয়েছে। দ্রুতই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য সর্বশেষ ২০০২-২০০৩ সালের দিকে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জাবিতে রাস্তা সংস্কারের কাজ করা হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*