Thursday , January 18 2018
সর্বশেষ সংবাদ :
Home / শিক্ষাঙ্গন / উপচার্যের বিরুদ্ধে সহ-উপাচার্যের শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ

উপচার্যের বিরুদ্ধে সহ-উপাচার্যের শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম জাকারিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কামরুল হাসান খান শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উপাচার্যের কক্ষে অনানুষ্ঠানিক সভার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। তবে উপাচার্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

উপাচার্য, একাধিক সহ-উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো গতকাল সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপাচার্যের কক্ষে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সভায় মিলিত হন। এ সময় নার্স নিয়োগে অনিয়মের বিষয়টিও আলোচনায় ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয় সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য একে অন্যকে দোষারোপ করতে থাকেন। একপর্যায়ে প্রক্টর মো. হাবিবুর রহমান ও এ এস এম জাকারিয়ার মধ্যে বিতণ্ডা শুরু হয়। এ এস এম জাকারিয়া ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমি মিটিং থেকে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিই। আসার পথ ছিল ভিসি স্যারের চেয়ারের পেছন দিয়ে। সেখানে আসতেই তিনি আমার ওপর হামলে পড়েন। তিনি (ভিসি) বলতে থাকেন, তুই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বদমান ছড়াচ্ছিস।’ জাকারিয়া বলেন, ‘আমি কোনো মামলা করিনি। আচার্য আমাকে নিয়োগ দিয়েছেন। বিষয়টি তিনিই দেখবেন।’

মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে কামরুল হাসান খান বলেন, ‘তাঁকে (জাকারিয়া) শারীরিকভাবে হেনস্তা করার প্রশ্নই ওঠে না। উপাচার্য হয়ে আমি এটা করতে পারি না। আমি তাঁকে বরং চেয়ারে বসিয়েছি।’ ওই সভায় উপস্থিত একজন সহ-উপাচার্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘জাকারিয়া ও প্রক্টর যখন গোলমাল করছিলেন, তখন সম্ভবত ভিসি সাহেব ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন। তখন কোনো চোট লাগতে পারে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য আর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সত্য মিথ্যা বলতে চাই না। আপনি বুঝে নেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*