Sunday , July 22 2018
সর্বশেষ সংবাদ :
Home / জাতীয় / আগামীকাল ইংরেজি নববর্ষ, নতুন আশায় দিনটি উদযাপন করবে জাতি
আগামীকাল  ইংরেজি  নববর্ষ, নতুন আশায় দিনটি উদযাপন করবে জাতি

আগামীকাল ইংরেজি নববর্ষ, নতুন আশায় দিনটি উদযাপন করবে জাতি

দেশবাংলা প্রতিদিন ডেস্ক:   আগামীকাল নববর্ষ। নতুন বছর ২০১৭ সালকে বরণ করার লক্ষ্যে জাতি প্রস্তুত। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নববর্ষের প্রথম দিনটি উদযাপিত হবে। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, দেশ তথা সমগ্র বিশ্বের সুখ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হবে এই দিনটিতে।

এই বিশেষ দিনটিকে উপলক্ষ করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন ক্ষুদে বার্তা ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়েছে। বিভিন্ন করপোরেট, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা ও সংগঠনও প্রতিবছর নিকটজনদের কাছে শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করে থাকে। এই দিনটিতে বিদায়ী বছরের সাফল্য ও ব্যর্থতা ফিরে দেখা হয় এবং নতুন বছরে কিভাবে লক্ষ্য অর্জন করা যায়, সে জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। বছরের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্যও কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়।

২০১৬ সাল বাংলাদেশের জন্য ছিল একটি লক্ষ্যণীয় সাফল্যের বছর। রাজনীতি, অর্থনীতি, কৃষি ও পর্যটন ও মধ্যম আয়ের দেশে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির সাফল্য ছিল উল্লেখযোগ্য। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণভাবে অতিবাহিত হয়েছে ২০১৬ সাল। আগের বছরগুলোর মতো এ বছরটিতে হরতাল ও অন্যান্য ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ছিল না। শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় ছিল সারাটি বছরজুড়ে। ফলে অন্যান্য সময়ের তুলনায় দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে গেছে এবং ক্ষুদ্র অর্থনীতি নির্দেশকে নতুন অনেক রেকর্ড স্থাপিত হয়েছে।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যে দেখা যায়, বিদায়ী বছরে রেকর্ড পরিমাণ জিডিপি ৭ দশমিক ১১ ও মাথাপিছু গড় আয় সর্বোচ্চ রেকর্ড ১৪৬৫ ডলারে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, গত নভেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৩৮, যা ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৮। ব্যাংকের রিজার্ভও ৩২ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি ছিল, যা একটি রেকর্ড। ২০১৬ সালে কৃষি ক্ষেত্রেও ব্যাপক সাফল্য দেখা গেছে। এ সময় কৃষকরা খাদ্যশস্যে শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদাই মেটায়নি, বিদেশেও তা রপ্তানি হয়েছে।

বাংলাদেশ বিশ্বে সবজি উৎপাদনে তৃতীয় ও মাছ উৎপাদনে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। এ ছাড়া কৃষি উৎপাদন ও মূল্য গ্রহণযোগ্য হওয়ায় কৃষক ও ভোক্তা উভয়েই খুশি ছিলেন বিদায়ী বছরটিতে। দেশের এমন শক্ত অবস্থানের প্রেক্ষাপটে জাতি আগামীকাল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাবে। জাতি আশা করবে সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ।

নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ১ জানুয়ারির বরণ লগ্ন যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় সেজন্য নিরাপত্তা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া জানান, যেকোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মহানগরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হবে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১০ হাজার সদস্য পোশাক ও সাদা পোশাকে তাদের দায়িত্ব পালন করবে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, থার্টি ফার্স্ট এর নামে আমাদের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে কোন কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*